হাম

অত্যন্ত ছোঁয়াচে ভাইরাস — টিকাই সবচেয়ে বড় সুরক্ষা

ঝুঁকি যাচাই শুরু করুন

একজন হাম রোগী টিকাহীন ৯ থেকে ১৮ জনকে সংক্রমিত করতে পারে — সবচেয়ে ছোঁয়াচে রোগগুলোর একটি।

টিকা না পাওয়া শিশু, অপুষ্ট শিশু ও ঘনবসতিপূর্ণ ক্যাম্প এলাকায় প্রাদুর্ভাবের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।

র‍্যাশ ওঠার ৪ দিন আগে থেকেই রোগী অন্যকে সংক্রমিত করে — তাই দ্রুত আলাদা রাখা জরুরি।

হাম সম্পর্কে জানুন

রোগ, কারণ, ক্ষতি, প্রাণহানির ঝুঁকি ও সুরক্ষা — এক নজরে

এই রোগটি কী ও কেন হয়?

  • হাম একটি ভাইরাসজনিত, অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ — মূলত শিশুরা আক্রান্ত হয়।
  • উচ্চ জ্বর, সর্দি-কাশি, চোখ লাল হওয়া এবং ৩–৪ দিন পর সারা শরীরে লালচে র‍্যাশ এর প্রধান লক্ষণ।
  • টিকাদান কর্মসূচির কারণে বাংলাদেশে হাম অনেক কমেছে, তবে টিকা বাদ পড়া এলাকায় এখনো প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়।
  • হাম ভাইরাস — আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে বাতাসে ছড়ায়।
  • ভাইরাস বাতাসে ও বিভিন্ন জিনিসের ওপর প্রায় ২ ঘণ্টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকে।
  • টিকা না নেওয়া বা এক ডোজ নেওয়া শিশু এবং অপুষ্ট শিশুরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে।

প্রাণহানির ঝুঁকি কতটা?

৩–৫%অপুষ্ট শিশুদের মধ্যে মৃত্যুঝুঁকি (আনুমানিক)
  • উন্নত চিকিৎসা-সুবিধার এলাকায় মৃত্যুহার আনুমানিক ০.১–০.৩%।
  • অপুষ্ট শিশু ও দুর্গম/ক্যাম্প এলাকায় এই হার ৩–৫% বা তারও বেশি হতে পারে।
  • বিশ্বে প্রতি বছর আনুমানিক ১ লাখের বেশি মানুষ হামে মারা যায় — বেশিরভাগই ৫ বছরের কম বয়সী শিশু।

কী কী ক্ষতি হতে পারে

  • নিউমোনিয়া — হামজনিত শিশুমৃত্যুর সবচেয়ে বড় কারণ।
  • তীব্র ডায়রিয়া, কানে সংক্রমণ ও মারাত্মক অপুষ্টি।
  • মস্তিষ্কে প্রদাহ (এনকেফালাইটিস) এবং ভিটামিন-এ ঘাটতিতে স্থায়ী অন্ধত্ব হতে পারে।

কীভাবে সতর্ক থাকবেন

  • শিশুর ৯ মাস ও ১৫ মাস বয়সে বিনামূল্যে হাম-রুবেলা (MR) টিকার দুই ডোজ নিশ্চিত করুন।
  • আক্রান্ত শিশুকে র‍্যাশ ওঠার পর অন্তত ৪ দিন স্কুল ও অন্য শিশুদের থেকে আলাদা রাখুন।
  • স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ান এবং বুকের দুধ ও পুষ্টিকর খাবার চালিয়ে যান।
  • শ্বাসকষ্ট, খিঁচুনি বা পানিশূন্যতা দেখলে দেরি না করে হাসপাতালে নিন।

লাইভ ঝুঁকি হিটম্যাপ — হাম

লাইভ ফিড
বঙ্গোপসাগরভারতমিয়ানমারবরিশাল৮৭%চট্টগ্রাম৫০%ঢাকা৫৩%খুলনা২০%ময়মনসিংহ৭৫%রাজশাহী৬%রংপুর৩৬%সিলেট৮৩%
N↑১০০ কিমি

প্রাথমিক সতর্ক লক্ষণ

  • উচ্চ জ্বরের সাথে সর্দি, কাশি ও চোখ লাল হওয়া
  • মুখের ভেতরে গালের পাশে ছোট সাদা দাগ (কপলিক স্পট)
  • কান ও কপাল থেকে শুরু হয়ে সারা শরীরে লালচে র‍্যাশ
  • শিশুর খাওয়া কমে যাওয়া ও অতিরিক্ত দুর্বলতা

সর্বোচ্চ ঝুঁকির জেলা (যাচাই অনুযায়ী)

এখনো কোনো জেলা থেকে যাচাই আসেনি। যাচাই বাড়লে এখানে আসল চিত্র দেখা যাবে।

পূর্ণ হিটম্যাপ দেখুন

উচ্চ ঝুঁকির যাচাই এসেছে যেসব জেলা থেকে (০ জেলা)

এখনো নেই

আপনার ঝুঁকি কতটা? ২ মিনিটে জানুন

হাম-নির্দিষ্ট অ্যাডাপটিভ কুইজ — প্রথম ৫ প্রশ্নেই প্রাথমিক স্কোর, প্রয়োজনে গভীর বিশ্লেষণ।

হাম যাচাই শুরু করুন